[Intro]
আলোর দোকানে, গরম ভোরে, হাসির ধোঁয়া নরম
টুকটুকি হাওয়ার সাথে কৌতুক, মজা লাগা বারে উঠোন
[Verse 1]
দিলাম হাবিজাবি ঝাল খাওয়ার চ্যালেঞ্জ, বন্ধু বলল—চাটনি-চালাকি
একজনেরা জোকারি ভাষায় ঠান্ডা ঠান্ডা হাসে, “তুমি নাকি টানছো টপস!”
আমি বলি, “চামচে ছুঁলে জিহ্বা নাচে, দিলাম ঢাল like spicy-এ”
লোকাল মজা, ঠোঁটে মজা, বাঙালি স্টাইল, নথিবন্দি হাসির পটে
[Chorus]
ওহ্ টংকু, টংকু! জিহ্বা কাঁপে, সস দিয়ে মজা জাগে
আজকের খাওয়া-দাওয়ার রায়, সবাই হেসে লাফায়
ঝাল-মিষ্টির টুইস্টে, সিকড়ানো পাতে নাচে সঙ্গী
চিবুক-চিবুক, জিভে ঝনঝনানি, বন্ধুদের ভেতরে নাচে প্রাণ
[Verse 2]
“এইগোঁ আমি নই ভয়ের,” বললো সোনামনি, “চোখে জল না গেলেই কথা!”
চোখ কপালে, জিহ্বা জ্বলছে, তবু হাসি থামলো না, সেটাই লক্ষ্য
একটা ডবল-চপস্টিকে ছিল টুইস্ট—“ওয়ালা চাঁদাবাজি নয়, সসের রাজহাঁসি”
গল্পে স্থানীয় টোন, ঢাকঢাক পিঠে, শহরের মসজিদ-ভিত্তিক থালা
[Chorus]
ওহ্ টংকু, টংকু! জিহ্বা কাঁপে, সস দিয়ে মজা জাগে
আজকের খাওয়া-দাওয়ার রায়, সবাই হেসে লাফায়
ঝাল-মিষ্টির টুইস্টে, সিকড়ানো পাতে নাচে সঙ্গী
চিবুক-চিবুক, জিভে ঝনঝনানি, বন্ধুদের ভেতরে নাচে প্রাণ
[Bridge]
হাসির মেঘে পাতে-সিঁদুর, ঠান্ডা পানি কাঁটায় নরম
“আছে আর একটা টুইস্ট?”—বলে সবাই কাঁপে, কিন্তু খায় ঠিক
বঙালার কথার নৌকো, চরকায় রসুন-গোলমরিচ
মৌসুমের মিয়া-ভাইয়ারা, হাত ধরাধরি, নাচে ঢোল-টপা
[Chorus]
ওহ্ টংকু, টংকু! জিহ্বা কাঁপে, সস দিয়ে মজা জাগে
আজকের খাওয়া-দাওয়ার রায়, সবাই হেসে লাফায়
ঝাল-মিষ্টির টুইস্টে, সিকড়ানো পাতে নাচে সঙ্গী
চিবুক-চিবুক, জিভে ঝনঝনানি, বন্ধুদের ভেতরে নাচে প্রাণ
[Outro]
শেষে সবাই হাসি-filled, পাতে গন্ধ সারা গলি
গোলাপি নরম রাইস-টার্কে মজা, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে থ্রি-সিজন টোন
বন্ধুদের চোখে ঝলমলে ফেলেছে জ্যোৎস্না-ঝাল, গল্পটা ভুলবে না কেউ